No icon

বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের পদত্যাগ দাবি মওদুদের

ব্যাংকের ভল্টে রাখা সোনা অনিয়মের অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মো. ফজলে কবীরের পদত্যাগ দাবি করেছেন বিএনপি নেতা মওদুদ আহমদ।

শনিবার জাতীয় প্রেস ক্লাবে এক আলোচনা সভায় বক্তব্যে এই দাবি করেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির এই সদস্য।

শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের এক অনুসন্ধানের তথ্যের ভিত্তিতে সম্প্রতি গণমাধ্যমে প্রকাশিত এক সংবাদ প্রতিবেদনে বলা হয়, ৮০ শতাংশ বিশুদ্ধ সোনা হিসেবে দেওয়া সোনা দুই বছর পর পরীক্ষা করে তাতে ৪৬ দশমিক ৬৬ শতাংশ সোনা পাওয়া গেছে। আর ২২ ক্যারেটের সোনা হয়ে গেছে ১৮ ক্যারেট।

এরপর গভর্নর ও এনবিআর চেয়ারম্যানকে নিয়ে বৈঠকের পর অর্থ প্রতিমন্ত্রী এম এ মান্নান বলেন, বাংলাদেশ ব্যাংকের ভল্টে রাখা সব সোনা ‘ঠিক আছে’।

তবে তিনি সেই সঙ্গে বলেন, যে অভিযোগ উঠেছে, তা অর্থমন্ত্রী দেশে ফিরলে ‘আইনানুগভাবে’ খতিয়ে দেখা হবে।

মওদুদ বলেন, ‘এই সোনা চুরির দায়-দায়িত্ব সরকারকেই নিতে হবে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নরকে পদত্যাগ করতে হবে। গভর্নরের উচিৎ হবে অবিলম্বে পদত্যাগ করা, তার নিজের সম্মান রক্ষা করার জন্য।’

‘উনি (গভর্নর) যদি ওই পদে থাকেন, সেখানে কোনো রকমের সুষ্ঠু তদন্ত সম্ভবপর নয়। যার কারণে তার সরে যাওয়া উচিৎ।’

এ বিষয়ে বাংলাদেশে ব্যাংকের বক্তব্য ‘গ্রহণযোগ্য’ নয় মন্তব্য করে বিএনপি নেতা বলেন, ‘সরকারের তদন্ত সংস্থাগুলো, গোয়েন্দা সংস্থাগুলো বলছে যে সোনা তামা হয়ে গেছে, সোনার পরিমান কমে গেছে।’

‘আর তারা (বাংলাদেশ ব্যাংক) বলছে, এটা অঙ্কে হের-ফের। এটা হতে পারে? এটা দেশের মানুষ কখনও গ্রহণ করবে না।’

২০১৬ সালে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রার মজুদ থেকে হ্যাকিংয়ে মাধ্যমে অর্থ খোয়া যাওয়ার পর তৎকালীন গভর্নর আতিউর রহমানের পদত্যাগের কথাও তুলে ধরেন মওদুদ।

শনিবার জাতীয় প্রেস ক্লাবে এক আলোচনা সভায় বক্তব্যে এই দাবি করেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির এই সদস্য।

শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের এক অনুসন্ধানের তথ্যের ভিত্তিতে সম্প্রতি একটি দৈনিক পত্রিকায় প্রকাশিত এক সংবাদ প্রতিবেদনে বলা হয়, ৮০ শতাংশ বিশুদ্ধ সোনা হিসেবে দেওয়া সোনা দুই বছর পর পরীক্ষা করে তাতে ৪৬ দশমিক ৬৬ শতাংশ সোনা পাওয়া গেছে। আর ২২ ক্যারেটের সোনা হয়ে গেছে ১৮ ক্যারেট।

এরপর গভর্নর ও এনবিআর চেয়ারম্যানকে নিয়ে বৈঠকের পর অর্থ প্রতিমন্ত্রী এম এ মান্নান বলেন, বাংলাদেশ ব্যাংকের ভল্টে রাখা সব সোনা ‘ঠিক আছে’।

তবে তিনি সেই সঙ্গে বলেন, যে অভিযোগ উঠেছে, তা অর্থমন্ত্রী দেশে ফিরলে ‘আইনানুগভাবে’ খতিয়ে দেখা হবে।

মওদুদ বলেন, ‘এই সোনা চুরির দায়-দায়িত্ব সরকারকেই নিতে হবে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নরকে পদত্যাগ করতে হবে। গভর্নরের উচিৎ হবে অবিলম্বে পদত্যাগ করা, তার নিজের সম্মান রক্ষা করার জন্য।’

‘উনি (গভর্নর) যদি ওই পদে থাকেন, সেখানে কোনো রকমের সুষ্ঠু তদন্ত সম্ভবপর নয়। যার কারণে তার সরে যাওয়া উচিৎ।’

এ বিষয়ে বাংলাদেশে ব্যাংকের বক্তব্য ‘গ্রহণযোগ্য’ নয় মন্তব্য করে বিএনপি নেতা বলেন, ‘সরকারের তদন্ত সংস্থাগুলো, গোয়েন্দা সংস্থাগুলো বলছে যে সোনা তামা হয়ে গেছে, সোনার পরিমান কমে গেছে।’

‘আর তারা (বাংলাদেশ ব্যাংক) বলছে, এটা অঙ্কে হের-ফের। এটা হতে পারে? এটা দেশের মানুষ কখনও গ্রহণ করবে না।’

২০১৬ সালে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রার মজুদ থেকে হ্যাকিংয়ে মাধ্যমে অর্থ খোয়া যাওয়ার পর তৎকালীন গভর্নর আতিউর রহমানের পদত্যাগের কথাও তুলে ধরেন মওদুদ।

সুত্রঃ কালেরকণ্ঠ 

Comment