No icon

যানজট কমাতে ইউটার্ন বন্ধ হচ্ছে

রামপুরা ব্রিজ থেকে মধ্য বাড্ডার লিংক রোড পর্যন্ত আধা কিলোমিটারের বেশি সড়কে পথচারী পারাপারের কোনো জেব্রা ক্রসিং বা পদচারী-সেতু নেই। সেখানে গাড়ি ঘোরানোর জন্য তিনটি ইউটার্ন ছিল। পথচারীরা সেখান দিয়ে রাস্তা পারাপার হতো। কিন্তু এখন সেই ইউটার্নগুলো বন্ধ করে দেওয়ায় বিপাকে পড়েছে পথচারীরা।

গত ২৮ জুলাই বাড্ডার নর্থ ইউলুপ চালু হয়। এরপর হাতিরঝিল থেকে রামপুরা ডিআইটি সড়কের দিকে যেতে গাড়িগুলো এই ইউলুপ ব্যবহার করছে। একই সঙ্গে বাড্ডার সড়কে যানজট নিরসনের জন্য তিনটি গাড়ি ঘোরার জায়গা (ইউটার্ন) বন্ধ করে দেওয়ার কাজ চলছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্টরা।

গতকাল রোববার ওই এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, মেরুল বাড্ডার বাঁশপট্টি এলাকায় প্রধান সড়কে থাকা ইউটার্ন বন্ধ করে সেখানে সড়ক বিভাজক তৈরি করা হচ্ছে। ফলে এখন হাতিরঝিল থেকে বের হওয়া গাড়িগুলোর জন্য ইউলুপ ব্যবহার ছাড়া আর কোনো বিকল্প নেই। স্থানীয় ব্যক্তিরা বলছেন, এর ফলে রাস্তায় যানজট কমবে। তবে পথচারীদের পারাপার ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে যাবে।

কথা হয় ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ডিআই এন্টারপ্রাইজের মিজানুর রহমানের সঙ্গে। তিনি বলেন, বাড্ডার লিংক রোড ও উত্তর বাড্ডার ফুজি টাওয়ারের সামনে গাড়ি ও মানুষের পারাপারের জায়গা থাকবে। এর বাইরে অন্য সব ইউটার্ন বন্ধ করে দেওয়া হবে। সে হিসাবে মেরুল বাঁশপট্টি, বাড্ডার থানার সামনের ইউটার্ন ও বাড্ডার পোস্ট অফিস গলির সামনের ইউটার্ন বন্ধ করে দেওয়া হচ্ছে।

বাড্ডা থানার সামনের সড়কটি থানা রোড নামে পরিচিত। এই সড়ক দিয়ে আনন্দনগর ও বৈঠাখালী যাওয়া হয়। তবে ইউলুপ চালু হওয়ার পর গাড়ি পারাপারের এই অংশে বাঁশ দিয়ে প্রতিবন্ধক দেওয়া হয়।Eprothomalo

ইউটার্ন বন্ধ করে দেওয়ার পাশাপাশি পথচারীদের পারাপারের জন্য জেব্রা ক্রসিং বা পদচারী-সেতু তৈরি করা দরকার বলে মনে করেন ব্যবসায়ী এমদাদুল হক। তিনি বলেন, বাড্ডা থানার সামনের সড়ক দিয়ে গাড়ি পার হয়ে আসছে বহু বছর ধরে। এই অংশে মানুষও পার হয়। কিন্তু গাড়ির পারাপার বন্ধ করতে যদি পথচারীদের পারাপার বন্ধ করে দেওয়া হয়, তবে ভোগান্তি ও ঝুঁকি আরও বাড়বে। সড়কটিতে পথচারী পারাপারের বিকল্প আর কী থাকছে?

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের এক উপসহকারী প্রকৌশলীর সঙ্গে কথা হলে তিনি বলেন, ইউটার্নগুলো বন্ধ করা হচ্ছে ইউলুপ সমন্বিত প্রকল্পের অংশ হিসেবে। এই পথে পথচারীদের জন্য পারাপারের ব্যবস্থা করা হবে। এ জন্য জেব্রা ক্রসিং নাকি পদচারী-সেতু তৈরি করা হবে, তা এখনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি।

সূত্রঃ প্রথম আলো 

Comment