No icon

রাজীবের মৃত্যুতে অনিশ্চয়তায় ছোট দুই ভাই

ঢাকা মেডিকেল কলেজ মর্গের সামনে হতবিহ্বল হয়ে দাঁড়িয়ে দুই কিশোর। কী করবে, কোথায় যাবে—এমন অনিশ্চয়তায় যেন কাঁদতেও ভুলে গেছে তারা। গতকাল সোমবার রাতে না-ফেরার দেশে চলে গেছেন দুই বাসের প্রতিযোগিতায় ডান হাত হারানো বড় ভাই রাজীব হোসেন।

আজ মঙ্গলবার ঢাকা মেডিকেল কলেজের মর্গের সামনে পাওয়া যায় রাজীবের এই ছোট দুই ভাইকে। রাজধানীর যাত্রাবাড়ীতে তামিরুল মিল্লাত নামের একটি দাখিল মাদ্রাসায় ষষ্ঠ ও সপ্তম শ্রেণিতে পড়ে দুজন। আগেই মারা গেছেন মা-বাবা, এবার হারালেন মাথার ওপর একমাত্র ছায়া ভাইকে।

রাজীবের মৃত্যুর জন্য দায়ী বাস চালকের শাস্তির দাবিতে আজ বুধবার দুপুরে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে মানববন্ধন করেন যাত্রী অধিকার আন্দোলন নামে একটি সংগঠন। ছবি: জিয়া ইসলামরাজীবের মৃত্যুর জন্য দায়ী বাস চালকের শাস্তির দাবিতে আজ বুধবার দুপুরে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে মানববন্ধন করেন যাত্রী অধিকার আন্দোলন নামে একটি সংগঠন। ছবি: জিয়া ইসলামসপ্তম শ্রেণিতে পড়া মেহেদী হাসান বলল, ‘এখন তো আর ভাইয়া নেই। কী হবে জানি না।’

ছোট দুই ভাইয়ের পড়াশোনার খরচ চালাতেন রাজীব। এত কষ্টের মাঝেও দুই কিশোরের আশা, কেউ হয়তো তাদের দায়িত্ব নেবেন।

ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এ কে এম নাসিরউদ্দীন বলেন, মস্তিষ্কের রক্তক্ষরণ থেকে মৃত্যু হয়েছে রাজীবের। ওই রক্তক্ষরণের জন্য তাঁর শরীরে অঙ্গপ্রত্যঙ্গ ধীরে ধীরে অকেজো হয়ে পড়ে।

Comment