No icon

সোহেল তাজের স্ট্যাটাস নিয়ে যা বললেন ওবায়দুল কাদের

সাবেক প্রতিমন্ত্রী তানজিম আহমেদ সোহেল তাজ যেকোনো কারণে হোক আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড থেকে এখন একটু দূরে। নিজের ফেসবুক আইডিতে তিনি যা লিখেছেন, এটা তাঁর ব্যক্তিগত মতামত। বললেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

ধানমন্ডিতে আজ মঙ্গলবার বিকেলে আওয়ামী লীগের সভানেত্রীর রাজনৈতিক কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন তিনি।

মঙ্গলবার সকালে সোহেল তাজ তার  ভেরিফাইড ফেসবুক পেজে একটি স্ট্যাটাস দেন। সেখানে তিনি নতুন প্রজন্মের জন্য স্বৈরাচারের নমুনা দিয়ে দেশের ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে সতর্ক করে দেন। ওই স্ট্যাটাসে তিনি আওয়ামী লীগকে গণমানুষের অধিকার আদায়ের সংগঠন হিসেবেও দাবি করেন। এরপর থেকেই তাকে নিয়ে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা শুরু হয়।

ওবায়দুল কাদের বলেন, দেশে যখন শান্তিময় রাজনৈতিক পরিবেশ বিরাজ করছিল, ঠিক সে সময় ১/১১-এর কুশীলবেরা আবার রাজনৈতিক অঙ্গনে ঘোলা পানিতে মাছ শিকারের অসম্ভব খেলায় মেতে উঠেছে।

তিনি বলেছেন, ‘সবিনয়ে ড. কামাল হোসেনের কাছে জিজ্ঞেস করতে চাই, গুন্ডাতন্ত্র কাকে বলে?’

তিনি বলেন, আওয়ামী লীগের একজন কর্মীর চোখ উপড়ে ফেলা হয়েছে। সেই আহত কর্মীকে আপনারা হাইজ্যাক (ছিনতাই) করলেন ঘৃণ্য রাজনৈতিক উদ্দেশে। সেই কর্মীর চোখের অবস্থা খারাপ। আহত কর্মীর চোখের চিকিৎসার জন্য তাকে দেশের বাইরে নিয়ে যাওয়া হবে। এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী নির্দেশনা দিয়েছেন।

সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেন, ছাত্রলীগের তিনটি শাখার নতুন কমিটি গঠন করা হয়েছে। এখনও তারা ভালোভাবে গুছিয়ে উঠতে পারেনি। যারা আহত হয়েছে, তারা বেশির ভাগই সাবেক ছাত্রনেতা। যারা বর্তমানে আওয়ামী লীগের বিভিন্ন উপকমিটিতে রয়েছেন। এদের মধ্যে ৪৬ জন আহত হয়েছেন।

তিনি আরও বলেন, আহত হলাম আমরা। আক্রান্ত হলাম আমরা। এখন দেশে, বিদেশে সুপরিকল্পিতভাবে অপবাদ ছড়ানো হচ্ছে। আমাদের আক্রমণকারী হিসেবে নিন্দিত করে আমাদের দলের, ছাত্র সংগঠনের মর্যাদা ক্ষুণ্ণ করা হচ্ছে।

ছাত্রলীগের বিষয়ে মন্ত্রী আরও বলেন, ‘আমি বলেছি ছাত্রলীগের কেউ জড়িত থাকলে তার তালিকা দিন। ঘটনায় ছাত্রলীগের কারও সম্পৃক্ততা পাওয়া গেলে আমরা সাংগঠনিক ও আইনগতভাবে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেব। বিচারের মুখোমুখি হতে আওয়ামী লীগের কোনও দ্বিধা নেই। শেখ হাসিনার সরকারের সময়ে কেউ রেহাই পায়নি, পাবেও না।’

Comment