A PHP Error was encountered

Severity: Notice

Message: Undefined variable: newsPosition

Filename: models/Write_setting_model.php

Line Number: 188

Backtrace:

File: /home/sottokonthonews/public_html/application/models/Write_setting_model.php
Line: 188
Function: _error_handler

File: /home/sottokonthonews/public_html/application/controllers/Print_article.php
Line: 11
Function: home_category_position

File: /home/sottokonthonews/public_html/index.php
Line: 316
Function: require_once

Sottokonthonews.com || সত্যকণ্ঠ নিউজ ডটকম
Sottokonthonews.com || সত্যকণ্ঠ নিউজ ডটকম
ফাঁস হওয়া প্রশ্ন নিতে শিক্ষার্থীদের অফার দিতেন তাঁরা
Sunday, 11 Feb 2018 09:59 am
Sottokonthonews.com || সত্যকণ্ঠ নিউজ ডটকম

Sottokonthonews.com || সত্যকণ্ঠ নিউজ ডটকম

এসএসসি পরীক্ষায় আজ রোববার অনুষ্ঠিত তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি পরীক্ষার প্রশ্নপত্রও ফাঁস হয়েছে। নওগাঁয় এ ঘটনা ঘটে। প্রশ্নফাঁসের সঙ্গে জড়িত অভিযোগে কোচিং সেন্টারের দুই শিক্ষকসহ সাতজনকে আটক করেছে জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ। এই দুই শিক্ষক পরীক্ষার আগের রাতে অথবা পরীক্ষার দিন সকালে প্রশ্নপত্র সংগ্রহ করেন। এরপর শিক্ষার্থীদের প্রশ্নপত্র নেওয়ার জন্য প্রস্তাব দিতেন।

গতকাল শনিবার রাতে জেলার পত্নীতলা, ধামইরহাট ও জয়পুরহাট জেলার আক্কেলপুর থেকে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়। আজ দুপুরে নওগাঁ পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানানো হয়।

আটক ব্যক্তিরা হলেন পত্নীতলার নজিপুর পৌরসভায় অবস্থিত আশীর্বাদ কোচিং সেন্টারের শিক্ষক আনোয়ার হোসেন (৩০), রেসিডেন্সিয়াল কোচিং সেন্টারের শিক্ষক আল মামুন (২৯), শিক্ষার্থী জাহিদ হাসান (১৭), মর্তুজা আহমেদ (১৬), প্রভাত কুমার মহন্ত (১৭), জহিরুল ইসলাম (১৮) ও ইসরাফিল আলম (১৬)।

গতকাল রাতে আটক করা ব্যক্তিদের মোবাইল থেকে পাওয়া যায় এই প্রশ্ন।গতকাল রাতে আটক করা ব্যক্তিদের মোবাইল থেকে পাওয়া যায় এই প্রশ্ন।সংবাদ সম্মেলনে জেলা গোয়েন্দা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুর রফিক জানান, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে গতকাল নজিপুর পৌরসভার আশীর্বাদ ছাত্রাবাস থেকে প্রথমে তিন শিক্ষার্থীকে আটক করা হয়। এ সময় তাদের মোবাইলে আজকের তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র পাওয়া যায়। পরে ওই শিক্ষার্থীদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে প্রশ্ন ফাঁসের মূল হোতা কোচিং সেন্টারের শিক্ষক আনোয়ার হোসেন ও আল মামুনকে আটক করা হয়। আনোয়ার ও মামুনের দেওয়া তথ্যানুসারে ধামইরহাট উপজেলার থেকে জহুরুল ইসলাম ও জয়পুরহাট উপজেলা থেকে ইসরাফিল ইসলাম নামের এই চক্রের আরও দুজনকে আটক করা হয়। আজ পরীক্ষা শেষ হলে মূল প্রশ্নপত্রের সঙ্গে ফাঁস হওয়া প্রশ্নের হুবহু মিল পাওয়া যায়।

আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে পাবলিক পরীক্ষা আইনে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।

সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে আটক শিক্ষক আনোয়ার ও আল মামুন বলেন, ইন্টারনেটের মাধ্যমে তাঁরা পরীক্ষার আগের দিন রাতে অথবা পরীক্ষার দিন সকালে প্রশ্নপত্র সংগ্রহ করেন। এরপর বিভিন্ন শিক্ষার্থীকে প্রশ্নপত্র নেওয়ার জন্য প্রস্তাব দেন। বিকাশের মাধ্যমে ২০০০ থেকে ৩০০০ টাকা নিয়ে ফেসবুকের মেসেঞ্জারে অথবা ই-মেইলের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের কাছে প্রশ্নপত্র বিতরণ করা হয়। আগের পরীক্ষাগুলোতেও তাঁরা প্রশ্নপত্র পেয়েছিলেন এবং একইভাবে বিতরণ করেছেন বলে স্বীকার করেন।