Sottokonthonews.com || সত্যকণ্ঠ নিউজ ডটকম
কুমিল্লায় বিশেষ আইনের মামলায় খালেদা জিয়ার জামিন হয়নি
Monday, 11 Jun 2018 11:00 am
Sottokonthonews.com || সত্যকণ্ঠ নিউজ ডটকম

Sottokonthonews.com || সত্যকণ্ঠ নিউজ ডটকম

বাসে পেট্রলবোমা নিক্ষেপের ঘটনায় বিশেষ ক্ষমতা আইনে কুমিল্লায় করা এক মামলায় বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার জামিন হয়নি। তাঁকে গ্রেপ্তার দেখানোসহ জামিন চেয়ে তাঁর করা আবেদন সংশ্লিষ্ট বিচারিক আদালতকে দ্রুত নিষ্পত্তি করতে নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট।

বিচারপতি মো. শওকত হোসেন ও বিচারপতি আবু তাহের মোহাম্মদ সাইফুর রহমানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ আজ সোমবার খালেদা জিয়ার আবেদন নিষ্পত্তি করে এ আদেশ দেন।

এদিকে ঢাকায় করা দুই মামলায় খালেদা জিয়ার হাজিরা পরোয়ানাসহ জামিন আবেদন দ্রুত নিষ্পত্তি করতে সংশ্লিষ্ট ম্যাজিস্ট্রেটকে হাইকোর্টের দেওয়া আদেশ বহাল রেখেছেন চেম্বার বিচারপতি। হাইকোর্টের আদেশ স্থগিত চেয়ে রাষ্ট্রপক্ষের করা পৃথক দুটি আবেদনের ওপর আজ চেম্বার আদালতে শুনানি হয়।

চেম্বার বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী হাইকোর্টের আদেশে স্থগিতাদেশ না দিয়ে রাষ্ট্রপক্ষের আবেদন দুটি ২৫ জুন আপিল বিভাগে নিয়মিত বেঞ্চে শুনানির জন্য পাঠিয়েছেন।

আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম। সঙ্গে ছিলেন অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল মুরাদ রেজা ও ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল বশির উল্লাহ। অন্যদিকে, খালেদার পক্ষে শুনানিতে ছিলেন আইনজীবী খন্দকার মাহবুব হোসেন।

বশির উল্লাহ প্রথম আলোকে বলেন, ‘ঢাকার করা দুই মামলায় হাইকোর্টের আদেশের ওপর স্থগিতাদেশ চেয়ে রাষ্ট্রপক্ষ আবেদন করেছিল। চেম্বার বিচারপতি স্থগিতাদেশ না দিয়ে আবেদন দুটি ২৫ জুন আপিল বিভাগে নিয়মিত বেঞ্চে শুনানির জন্য পাঠিয়েছেন। বিচারিক আদালতে নথিভুক্ত থাকা হাজিরা পরোয়ানাসহ খালেদা জিয়ার জামিন আবেদন নিষ্পত্তি করতে সংশ্লিষ্ট আদালতকে নির্দেশ দিয়েছেন চেম্বার বিচারপতি।’

২০১৫ সালের ৩ ফেব্রুয়ারি বাসে পেট্রলবোমা নিক্ষেপ ও অগ্নিসংযোগের অভিযোগে চৌদ্দগ্রাম থানায় ওই মামলা করা হয়। গত বছরের ২ ফেব্রুয়ারি ওই মামলায় বিশেষ ক্ষমতা আইনে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়।

জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় গত ৮ ফেব্রুয়ারি খালেদা জিয়াকে পাঁচ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ডাদেশ দিয়ে রায় দেন বিচারিক আদালত। এরপর থেকে খালেদা জিয়া নাজিমুদ্দিন রোডের পুরোনো কেন্দ্রীয় কারাগারে আছেন।

সূত্রঃ প্রথম আলো