A PHP Error was encountered

Severity: Notice

Message: Undefined variable: newsPosition

Filename: models/Write_setting_model.php

Line Number: 188

Backtrace:

File: /home/sottokonthonews/public_html/application/models/Write_setting_model.php
Line: 188
Function: _error_handler

File: /home/sottokonthonews/public_html/application/controllers/Print_article.php
Line: 11
Function: home_category_position

File: /home/sottokonthonews/public_html/index.php
Line: 316
Function: require_once

Sottokonthonews.com || সত্যকণ্ঠ নিউজ ডটকম
Sottokonthonews.com || সত্যকণ্ঠ নিউজ ডটকম
মোবাইল ব্যাংকিংয়ে বাড়তি খরচ চাপবে গ্রাহকের কাঁধে
Monday, 16 Apr 2018 04:01 am
Sottokonthonews.com || সত্যকণ্ঠ নিউজ ডটকম

Sottokonthonews.com || সত্যকণ্ঠ নিউজ ডটকম

মোবাইল ফিন্যানশিয়াল সার্ভিসেস (এমএফএস) বা মোবাইল ব্যাংকিং সেবা প্রদানে গুরুত্বপূর্ণ অনুষঙ্গ মোবাইল ফোন অপারেটরদের ইউএসএসডি (আনস্ট্রাকচার্ড সাপ্লিমেন্টারি সার্ভিস ডাটা) চ্যানেল ব্যবহারের মূল্য সেশনভিত্তিক নির্ধারণ করতে আজ সোমবার বৈঠকে বসছে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)।

সূত্র মতে, প্রতি সেশন ৯০ সেকেন্ড হিসেবে সেশনপ্রতি ৮৫ পয়সা মূল্য প্রস্তাব করেছে বিটিআরসি। অন্যদিকে গ্রাহক স্বার্থ বিবেচনায় সেশনপ্রতি চার্জ ২০ পয়সার বেশি না রাখার জন্য বলেছে এই সেবার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ ব্যাংক। সংস্থাটি মনে করে, মোবাইল ব্যাংকিং লেনদেনের ক্ষেত্রে সেশনভিত্তিক চার্জ ধার্য হলে গ্রাহকের খরচ বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে।

দেশের এমএফএস সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানগুলো বলছে, রেভিনিউ শেয়ারিংয়ের পরিবর্তে ইউএসএসডির ট্যারিফ সেশনভিত্তিক হলে বেশ কিছু সেবা, যা এখন বিনা মূল্যে দেওয়া হচ্ছে, সেগুলোর ওপর চার্জ বসানো হবে। এতে ক্যাশ ইন, কেনাকাটার পেমেন্ট, মোবাইল এয়ারটা?ইম রিচার্জ, রেমিট্যান্স গ্রহণ, ব্যালান্স চেক করতে গেলেও গ্রাহককে খরচ করতে হবে। বর্তমানে শুধু ক্যাশ আউটে ১.৮৫ শতাংশ চার্জ করা হয়। ইউএসএসডির ট্যারিফ সেশনভিত্তিক হলেই এই বহুল ব্যবহৃত সেবাগুলো আর বিনা মূল্যে থাকবে না এবং ছোট-বড় সমস্ত সেবার জন্যই একই সার্ভিস চার্জ দিতে হবে। তা ছাড়া সেশনভিত্তিক লেনদেন হলে মোবাইল অপারেটররা সফল এবং অসফলসহ সব ধরনের লেনদেনের ওপর চার্জ করবে, ফলে মোবাইল ব্যাংকিং সেবার খরচ বেড়ে যাবে এবং এর প্রভাব গ্রাহকদের ওপর পড়বে।

এ ছাড়া প্রায় আট লাখ মোবাইল ব্যাংকিং এজেন্টের আয় কমে যাওয়ারও আশঙ্কা রয়েছে। কেননা মোবাইল ব্যাংকিং সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান নিজেদের প্রবৃদ্ধি এবং উন্নত সেবা বজায় রাখতে এই বাড়তি খরচের ধাক্কা নানাভাবে গ্রাহকদের ওপর চাপিয়ে দেওয়ার পাশাপাশি এজেন্টদের কমিশন কমিয়ে দেবে।

জানা গেছে, বর্তমানে মোবাইল ব্যাংকিং সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলো তাদের আয়ের ৭ শতাংশ মোবাইল অপারেটরদের সঙ্গে ভাগাভাগি করে তাদের ইউএসএসডি চ্যানেল ব্যবহার করে এই সেবা দেওয়ার জন্য। এটা রেভিনিউ শেয়ারিং মডেল নামে পরিচিত। এ ছাড়া আয়ের ৭৭ শতাংশই পায় এজেন্ট ও পরিবেশকরা। আর সংশ্লিষ্ট সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানটি পায় ১৬ শতাংশ। এই আয় থেকেই মোবাইল ব্যাংকিং প্রতিষ্ঠানগুলো তাদের যাবতীয় খরচ নির্বাহ করে থাকে।

এমএফএসগুলোর অভিযোগ, মোবাইল ফোন অপারেটররা তাদের মুনাফা বাড়িয়ে নিতে এই সেশনভিত্তিক চার্জের প্রস্তাব করেছে। অথচ বাংলাদেশ ব্যাংক এই সেবা চালুর অনুমোদন দেওয়ার উদ্দেশ্যই ছিল আর্থিক সেবাবহির্ভূত বিশাল জনগোষ্ঠীকে অল্প খরচে নিয়মতান্ত্রিক উপায়ে আর্থিক সেবার মধ্যে নিয়ে আসা। তবে সেশনভিত্তিক চার্জ সহনীয় মাত্রায় না হলে এই প্রক্রিয়ায় গ্রাহক টাকা পাঠাতে চাইলে তাদের খরচ এখনকার চেয়ে অনেক বেড়ে যাবে। এতে নিম্ন আয়ের গ্রাহকরা এই সেবা ব্যবহার করতে আগ্রহ হারাবে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বিকাশের এক কর্মকর্তা কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘আমরা আশা করব ইউএসএসডি মূল্য নির্ধারণের ক্ষেত্রে নিয়ন্ত্রক সংস্থা স্বল্প আয়ের মানুষের স্বার্থকে গুরুত্ব দেবে। যাতে নিম্ন আয়ের গ্রাহকদের ওপর কোনো নেতিবাচক প্রভাব না পড়ে এবং সরকারের আর্থিক অন্তর্ভুক্তি কার্যক্রম ব্যাহত না হয়।’

বাংলাদেশ ব্যাংক ২৮টি ব্যাংককে মোবাইল ব্যাংকিং চালুর অনুমোদন দিলেও বর্তমানে ১৮টি ব্যাংক এই সেবা প্রদান করছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বিস্তৃত সেবা প্রদান করছে ব্র্যাক ব্যাংকের বিকাশ এবং ডাচ্-বাংলা ব্যাংকের রকেট। বর্তমানে ক্যাশ ইন, ক্যাশ আউট ছাড়াও কর্মীদের বেতন প্রদান, মোবাইল ফোনের এয়ার টাইম রিচার্জ, দোকানে কেনাকাটার মূল্য পরিশোধ, বিদেশ থেকে রেমিট্যান্স গ্রহণসহ অনেক ধরনের লেনদেন সম্পন্ন হচ্ছে মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, গত ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত মোবাইল ব্যাংকিংয়ের নিবন্ধিত গ্রাহকসংখ্যা ছিল পাঁচ কোটি ৯৬ লাখ। এর মধ্যে সক্রিয় হিসাব ছিল দুই কোটি আট লাখ ৩১ হাজার।