No icon

গরুর মৃত্যুদণ্ড!

ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের (ইইউ) সীমান্ত পার হওয়ায় পেনকা নামের একটি গর্ভবতী গাভিকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

তিন সপ্তাহ পর সন্তান জন্ম দেবে পেনকা। গাভিটি বুলগেরিয়ার একটি গ্রাম কপিলভস্তির কাছ থেকে তার দল ছেড়ে মে মাসের ১২ তারিখে অ-ইউরোপীয় দেশ সার্বিয়ায় ঢুকে পড়ে। খবর এএফপির।

পরে গাভিটি তার মালিক ইভান হারালামপিভের কাছে ফিরে আসে। কিন্তু সীমান্ত পার হয়ে এভাবে ফিরে আসা পশুদের ক্ষেত্রে ইইউর আইনে কড়াকড়ি রয়েছে। সার্বিয়ার পশুচিকিৎসকেরা জানিয়েছেন গাভিটি সম্পূর্ণ সুস্থ ছিল।

ইউরোপিয়ান কমিশন নিয়ম অনুযায়ী সীমান্ত চৌকিতে অবশ্যই গরুর সঙ্গে তার সুস্থতা-সংক্রান্ত কাগজপত্র থাকতে হবে।

সার্বিয়ার পশুচিকিৎসকদের অনুমোদন সত্ত্বেও বুলগেরিয়ার কর্মকর্তারা বলেছেন, ইইউর কড়া আইনের কারণে গাভিটিকে অবশ্যই অবশ্যই মেরে ফেলা উচিত।

ইভান হারালামপিভ চান না গাভিটিকে এভাবে মেরে ফেলা হোক।

পশুবিশেষজ্ঞ লিউবোমির লিউবোমিরভ এএফপিকে বলেন, ‘এটা আমাদের সিদ্ধান্তের বিষয় না। আমরা কেবল ব্রাসেলস থেকে আসা সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করি।’

পেনকার ঘটনাটির ক্ষেত্রে যেন নিয়মের ব্যতিক্রম ঘটানো হয়, তাকে যেন হত্যা করা না হয় এ জন্য একটি দরখাস্তে গণস্বাক্ষর নেওয়া চলছে। উদ্যোক্তাদের লক্ষ্য ২ হাজার ৫০০ স্বাক্ষর সংগ্রহ করা। এরই মধ্যে ১ হাজার ৮০০ জন এতে স্বাক্ষর করেছেন।

সূত্রঃ প্রথম আলো 

Comment