No icon

পুলিশের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত ২

বগুড়া শহরতলির মাটিডালী বিমান মোড় এলাকায় এবং রংপুরের কাউনিয়া উপজেলায় পুলিশের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ দুজন নিহত হয়েছে। পুলিশ বলছে, নিহত দুজনই মাদক ব্যবসায়ী।

নিহত দুজন হলেন দবির হোসেন (৪৫) ও বগুড়ায় লিটন ওরফে রিগ্যান (৩২)। নিহত দবির রংপুরের কাউনিয়া উপজেলার হারাগাছ পৌরসভা এলাকার ৫ নম্বর ওয়ার্ডের চেংটারী গ্রামের বাসিন্দা আর লিটনের বাড়ি শহরের চক সূত্রাপুরে। তিনি মধ্য ফুলবাড়ি এলাকায় থাকতেন।

সরকারপ্রধান থেকে শুরু করে সব কটি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী মাদক প্রতিরোধে ‘জিরো টলারেন্স’ (শূন্য সহনশীলতা) ঘোষণা করলেও ইয়াবা পাচার ঠেকানো প্রায় অসাধ্য হয়ে উঠেছে। সরকারিভাবেই বলা হচ্ছে, দেশে এখন মাদকসেবীর সংখ্যা কমবেশি ৭০ লাখ। এদের অধিকাংশই ইয়াবায় আসক্ত। এ অবস্থায় গত ১৪ মে থেকে শুরু হওয়া দেশজুড়ে মাদকবিরোধী অভিযানে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে কথিত বন্দুকযুদ্ধে মারা গেছে ১৩৩ জন।

আমাদের নিজস্ব প্রতিবেদকদের পাঠানো খবর

রংপুর: পুলিশের ভাষ্য, মাদক ব্যবসায়ীরা হারাগাছ পৌরসভা এলাকার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের ছোটপুল বানুপাড়ায় অবস্থান করছে এমন খবর পেয়ে পুলিশ রাত সাড়ে তিনটার দিকে সেখানে অভিযান চালায়। এ সময় মাদক ব্যবসায়ীদের সঙ্গে গুলিবিনিময় হয়। এতে দবির মারা যান আর অন্যরা পালিয়ে যান। ঘটনাস্থল থেকে পুলিশ ১২৬টি ইয়াবা, ১৭৩ বোতল ফেনসিডিল, একটি দেশে তৈরি পিস্তল ও তিনটি ছোড়া উদ্ধার করা হয়। 

দবিরের পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, তিনি ঘটনার এক দিন আগে থেকে বাড়িতে ছিলেন না।

রংপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সাইফুর রহমান সাইফ জানান, তাঁর বিরুদ্ধে কাউনিয়া থানায় ১০টি মামলা রয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে। এলাকায় তাঁর বিরুদ্ধে মাদক সেবন ও ব্যবসার অভিযোগ রয়েছে।

বগুড়া: বগুড়া সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সনাতন চক্রবর্তীর ভাষ্য, পুলিশের হাতে গোয়েন্দা তথ্য ছিল রাত দুইটার কিছু পরে শহরতলির মাটিডালি বিমান মোড় এলাকার কমার্স কলেজ সংলগ্ন স্থানে ইয়াবার একটি বড় চালান হাতবদল হতে যাচ্ছে। খবর পেয়ে ডিবি পুলিশের একটি দল সেখানে অভিযানে যায়। এ সময় দুই পক্ষের মধ্য গুলি বিনিময় হয়। মাদক ব্যবসায়ীদের ধাওয়া করে একজনকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। এ সময় তাঁর কাছ থেকে ২০০টি ইয়াবা এবং ঘটনাস্থল থেকে দুটি চাপাতি পাওয়া যায়। তাৎক্ষণিক তাঁকে বগুড়ার শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পর মারা যান।

পুলিশ দাবি করেছে, লিটনের বিরুদ্ধে থানায় মাদকের পাঁচটি মামলা রয়েছে।

সূত্র; প্রথম আলো 

Comment